রবিবারের ডায়রি।। ব্ল্যাক টাইগার – দিব্যেন্দু হালদার

ব্ল্যাক টাইগার

দিব্যেন্দু হালদার (সাগরপাড়া, মুর্শিদাবাদ)

ব্ল্যাক টাইগার
চিত্রঃ ব্ল্যাক টাইগার

প্রায় বছর খানেক আগের কথা, তখন আমি সবে বিদ্যালয় এর গন্ডি পেরিয়েছি। ছুটির দিন বাড়িতে বসে দিন কাটছিল না। তাই লাইব্রেরিতে গিয়ে কয়েকটা বই নিয়ে আসলাম। বই বলতে নানান রকমের ছন্দ ছাড়া রহস্যময় গোয়েন্দা গল্প আরকি। গ্রীষ্মকাল প্রায় শেষের দিকে, এরই মধ্যে দু’এক দিন বৃষ্টি বলতে গেলে ভালোই হয়েছে। আমি দু’চারদিনের মধ্যে গল্পের বই পড়ে শেষ করে ফেললাম। যেদিন বইগুলি লাইব্রেরিতে ফেরৎ দিতে যাব বলে বেরিয়েছি এমন সময় আমার বন্ধু অর্ধেন্দু এবং তার এক আত্মীয় আমাদের বাড়িতে এলেন। সুতরাং সেদিন আর আমার বইটি ফেরৎ দিতে যাওয়া হলনা। অর্ধেন্দু এবং তার আত্মীয়ের সঙ্গে গল্পালাপ এ জানতে পারলাম যে ভদ্রলোকের নাম প্রফেসর ওক। আসলে উনি একজন প্রাণীবিদ্যার প্রফেসর। পড়াশোনা বিদেশে গিয়েই করেন আর ওনার আসল নাম অখ্যদানন্দ গঙ্গোপাধ্যায়। বিদেশে থাকার সময় নামটি বদলে ফেলে সর্ট ফর্ম ওক হয়ে যায়। যায় হোক তিনি তার কর্মজীবনে নাকি খুব কম সময়েই ভারতে এসেছেন এবং তাও বিভিন্ন কাজ নিয়ে। ভারতীয় বিরল প্রজাতির পশু-পাখি নিয়ে আলোচনা তার নাকি খুব ভালো লাগে। প্রাণীবিদ্যার লোক হওয়ার সুবাদে পৃথিবীর নানান জায়গাতে ঘুরে বেড়ানো এবং সেই সমস্ত জায়গায় গিয়ে লুপ্তপ্রায় প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা তার যেন একটা গা সওয়া ব্যাপার বলেই মনে হল। নানান রকম কথাবার্তা চলার পরে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা কেটে গেল। তারপর তারা বেরিয়ে পড়লেন। যে কারণে প্রধানত তাদের এ বাড়িতে আসা সেটা হল অর্ধেন্দুর পিস্তত দাদার বিয়ে এবং সেই কারণে তার এবং প্রফেসর পিসেমশাই এর পদার্পন।

পরদিন যথারীতি আমি লাইব্রেরিতে গেলাম এবং বইগুলো ফেরৎ দিয়ে লুপ্তপ্রায় প্রাণী সমন্বিত একটা বই নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। বইটা পড়ার পর আমার যা মনে হল তা হিংস্র জন্তুর চেয়ে নিরীহ প্রাণীদের বিলুপ্তির সংখ্যা বেশি। আমি একদিনেই বইটা পড়ে ফেললাম কিন্তু লাইব্রেরিতে ফেরৎ দিলাম না। তার জন্য অনুমতি অবশ্য আমি পেয়েছিলাম। পরদিন সকালবেলা আমি অর্ধেন্দুদের বাড়িতে চলে গেলাম। দু’দিন পরেই ওর দাদার বিয়ে, সুতরাং আজই রওনা দিতে হল। সেদিন সন্ধ্যাবেলা আমি আর অর্ধেন্দু অনেকক্ষণ আড্ডা দিলাম এবং রাত্রি বেলাতেও অনেকক্ষণ গল্প হল কিন্তু সেটা ওর প্রফেসর পিসেমশাইকে নিয়ে। পাত্রী পক্ষের বাড়িও ওড়িষ্যাতে হওয়ার কারনে আমাদের সকাল হলেই ওড়িষ্যা রওনা দিতে হবে তাই গোছগাছ সমাপ্তি করে ফেললাম। অর্ধেন্দু পিসির বাড়ি জামসেদপুর, আমরা সেখানেই উঠলাম। পিসেমশাই ব্যস্ত মানুষ তাই বিয়েটা হওয়া পর্যন্ত তার সঙ্গে কথা বলার আর কোনও সুযোগ পেলাম না। বিয়ে শেষ হবার পরে সমস্ত আত্মীয়-স্বজনরা একে একে চলে গেলেন। আমরাও ফাঁকা হলাম একটুখানি।

আসল ঘটনাটা ঘটল দিন চারেক পর। স্যার ওক আমাদের বললেন,” ওড়িষ্যায় বেশ ঘন বড় জঙ্গল আছে, তোমরা যদি চাও তবে ঘুরতে নিয়ে যেতে পারি, যাবে নাকি বল ।” আমি কথাটা শুনে লাফিয়ে উঠে বললাম,”ওড়িষ্যার জঙ্গল! হিংস্র জন্তু-জানোয়ার! বেশ মজা হবে। চলুন আজই ঘুরে আসা যাক।” উনি একটা মৃদু হেসে বললেন,”অনেক কিছুই জানো দেখছি।”

দুপুরের খাওয়া সেরে তিনজনে জঙ্গলের পথে রওনা দিলাম। স্যার ওক তার লাইসেন্স এর বন্দুকটা সঙ্গে নিলেন। জঙ্গলে ঘুরতে ঘুরতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেল। আমরা খুব বেশী জন্তু-জানোয়ার দেখতে না পাওয়ায় প্রায় হতাশ হয়েই বাড়ি ফিরছিলাম এমন সময় কি যেন একটা কালো মতন চোখের নিমেষে সামনে দিয়ে বেরিয়ে উধাও হয়ে গেল। আমরা রীতিমতো থমকে দাঁড়ালাম। অর্ধেন্দু ভূত বলে চেঁচিয়ে উঠতেই স্যার ওক ওর মুখ চেপে ধরলেন। আমি ভূতে তেমন বিশ্বাস করিনা বলেই হয়তো অতটা ভয় পেলাম না। আশ্চর্যের বিষয় এটাই যে স্যার ওক ভয় তো দূরের কথা উল্টে ঘটনাটাতে যেন বেশ খুশি হয়েছেন বলেই মনে হচ্ছিল। তাছাড়া ওনার চোখ দুটো বেশ হিংস্র হয়ে উঠেছে। আমি আস্তে করে ওনাকে জিজ্ঞেস করলাম,”স্যার আপনি কি কিছু আন্দাজ করতে পারলেন?” মুহূর্তের মধ্যে উত্তর এলো,” তার আগে বলো তুমি কি বুঝলে?”

ব্ল্যাক টাইগার
চিত্রঃ রবিবারের ডায়রি।। ব্ল্যাক টাইগার – দিব্যেন্দু হালদার

আমি রীতিমতো হকচকিয়ে গিয়ে বললাম যে,”আমার তো মনে হল এটা একটা কোনো ভয়ঙ্কর হিংস্র জানোয়ার ছিল।” “গোয়েন্দা গল্প পড়ে বুদ্ধির ভ্রম হয়নি দেখছি, কিন্তু এক্ষেত্রে তুমি অর্ধেক পাশ”,স্যার ওক বললেন। আমি বললাম, “মানে?” জবাব এলো,”এতদিন বিদেশে থেকে যা পাইনি আজ চাকরি শেষে নিজের দেশে এসে সেটা পেলাম।”

আমি প্রশ্ন করলাম,”কি পেলেন? এমন কি যা শুধু আমাদের দেশেই আছে।” স্যার গম্ভীর ভাবে বললেন,”আরে না না আমাদের দেশেই কেন, অনেক দেশেই আছে; কিন্তু তাকে সামনে থেকে দেখবার মতো সৌভাগ্য আমার হয়নি।” কি এমন হিংস্র জন্তু বলবেন কি? স্যার বললেন, “টাইগার”।

‘টাইগার’ শব্দটা শুনে আমি একটু বিস্মিত হলেও অর্ধেন্দু যেন ছটপটানিটা একটু কমালো। তারপর স্যার আবার বললেন, “টাইগার, ব্ল্যাক টাইগার৷ ভারতবর্ষে প্রায় আজ বিলুপ্তির পথে এই প্রাণীটি। খুব কম সংখ্যকই দেখা যায় ওড়িষ্যার জঙ্গলে।” আমি বললাম,” ব্ল্যাক টাইগার! নাম শুনেছি বটে, তবে বেশি কিছুই জানিনা এটার সম্পর্কে।” “রাইফেলটা তৈরি রাখাটা খুব দরকার আর সজাগ থেকেই আমাদের এই মুহূর্তে এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়া আবশ্যক”, ভদ্রোলক ফিসফিস আওয়াজে আমাদের জানিয়ে দিলেন। আমরা অতি সন্তর্পণে ঐ দিন রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ বাড়ি ফিরে আসলাম ও খাওয়া দাওয়া সেরে যথারীতি যে যার ঘরে শুয়ে পড়লাম।

ওড়িষ্যাতে আর মাত্র দু’দিন আছি। কাল রাত্রে আমি আর অর্ধেন্দু ঘুমোনোর আগে অনেক গল্প করেছি। গল্পের মাধ্যমেই জানতে পারলাম যে অর্ধেন্দু নাকি এর আগেও বেশ কয়েকবার এখানে বেড়াতে এসেছে আর সে এখানকার অনেক কিছুই চেনে। আজ সকালে উঠেই পিসেমশাই এর অনুমতি নিয়ে আমি আর অর্ধেন্দু বেরিয়ে পড়লাম লাইব্রেরির খোঁজে। কাজেই একটা অতি পুরোনো সংগ্রহশালার কথা জানতে পেরে সেখানে দুজনে গিয়ে উপস্থিত হলাম। একটা রোগা পাতলা-ছিপছিপে লোক রিসেপশন এ বসে আছেন দেখে আমরা তার দিকে এগিয়ে গেলাম। অর্ধেন্দু ওড়িয়া ভাষায় লোকটাকে জিজ্ঞেস করলো যে তার এখানে ‘ব্ল্যাক টাইগার’ অর্থাৎ কালো বাঘ এর বিষয়ে কোনো বই আছে কিনা। লোকটি প্রথমে একটু অবাক হলেও তৎক্ষণাৎ আশ্বাসজনক উত্তর দিলেন। কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পরে হাতে লাল মোড়ক এ মোড়ানো একটা মোটা পুরোনো বই পেয়ে আনন্দের সহিত বললাম ‘এটাইতো চাইছিলাম’ । দুপুর একটা অবধি ওখানে বসেই বইটা পড়ে যা কিছু তথ্য পেলাম তা ভয়ানক এবং অত্যন্ত দুঃখজনকও বটে। এরা এতটাই হিংস্র প্রকৃতির হয় যে প্রত্যেক বছর নিজেদের মধ্যে লড়াই করার এদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে পরিণত হয়। ফিরে এসে স্নান খাওয়া সেরে ঘুম দিলাম। সন্ধ্যা প্রায় হয়ে এসেছে এমন সময় ঘুম ভাঙলো। হাত মুখ ধুয়ে স্যার এর ঘরে ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনায় বসতে গিয়ে দেখি তিনি ঘরে নেই। অর্ধেন্দুকে ঘুম থেকে ডেকে তুললাম। বাড়ির বাকিদের জিজ্ঞেস করতে একজন বললেন যে স্যার নাকি বিকাল পাঁচটার সময় রাইফেলটা নিয়ে ও একটা টর্চ হাতে বেড়িয়েছেন।

কথাটা শুনে আমরা দুজনেই স্থির হয়ে গেলাম। তারপর আমরাও যথোপযুক্ত ব্যবস্থাপনা করে বেরিয়ে পড়লাম স্যারের খোঁজে। সকালে বই এ ঘটনাগুলো পড়ার পরে যে ভয় এখনো আঁকড়ে রয়েছে আমার ভেতরে তা রীতিমতো বেড়েই চলেছে। জঙ্গলের ভেতরে প্রবেশ করতেই নিমেষে সূর্যের আলো কোথায় যেন উবে গেল। দুজনেই টর্চ জ্বালালাম আর গতকালের পথেই হাটতে লাগলাম। খানিকক্ষণ চলার পরেই সামনে টর্চের আলো দেখে আমার আশ্বস্ত হলাম যে স্যার নিরাপদ। আমরা তার কাছে পৌঁছলাম এবং বই এর ব্যাপারটা বললাম। ভদ্রলোক মৃদু হেসে বললেন,” ঐ বইটা আমি আজ থেকে ষোলো বছর আগে পড়েছি, জার্মানিতে থাকার সময়, ইংরেজি ভার্সন, একবার না বেশ কয়েকবার।”

আমি হতবম্বের মতো দাঁড়িয়ে রইলাম। কোনো কথা বলার সাহস হলো না। শুধু ভাবলাম ভদ্রলোক সব জেনে শুনে ব্ল্যাকটাইগারের পেছনে কেন পড়ে আছেন আরও তো অনেক অজানা অচেনা প্রাণী রয়েছে নাকি। এর উত্তর অবশ্য আমি আমার ভাবনা শেষ করতে না করতেই পেয়ে গিয়েছি। একটা বিশালাকার কালো জন্তু আমাদের সামনে রয়েছে। আড়ালে অন্ধকারে আমরা তিনজনেই একেবারে চুপচাপ, আলো বলতে জন্তুটির লাল-হলদে চোখ শুধুই মিটমিট করছে। সমস্ত জঙ্গলের হিংস্র প্রাণীদের হিংস্রতা যেন এই একটি জন্তুর চোখেই ধরা পড়ছে। সত্যিই অবাক করার মতো। “কিন্তু একে কি বাঘ বলা যায়?” নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করলাম। একটা মিসমিসে কালো, চওড়া, উঁচু, গোঁফওয়ালা হিংস্র প্রাণী যা কিনা সাধারণ বাঘের থেকে অনেকাংশে আলাদা ধরনের। তবুও মেনে নিতে হল যে এটাই সেই আশ্চর্যকর ‘ব্ল্যাক টাইগার’ যার খোঁজে আমাদের এই স্থানে পদার্পণ।

ব্ল্যাক টাইগার
চিত্রঃ স্যার ওক ও ওনার রাইফেল

ইতিমধ্যেই স্যার ওক ওনার রাইফেলটা তৈরি রেখেছেন। যে ভয়টা আমাদের তিনজনেরই মনে হচ্ছিল তা হলো বাঘ আর আমাদের মুখোমুখি দেখা হওয়া। সামান্যতম অসাবধানতাও আমাদের প্রাণহানির কারণ হতে পারতো। কিন্তু অর্ধেন্দুর দৌলতে ঠিক সেই ভুলটাই হলো। সে ভয়ে জোরে শ্বাস ছাড়তেই বিপত্তি হলো। বাঘটার নজর সোজা এবারে আমাদের দিকে পড়লো। আমারও মনে হলো ওড়িষ্যার শেষ রাতটাই বুঝি জীবনের শেষ রাত হতে চলেছে। পরক্ষনেই দেখি স্যার ওক এবং বাঘ দুজনেই পরস্পরের প্রতি হিংসাত্মক আকার ধারণ করেছে। আমি আর অর্ধেন্দু এক-পা দু-পা করে পিছিয়ে আসতেই গুলির শব্দে জঙ্গলটা চীরে গেল। স্যার ওক বাঘটাকে গুলির আঘাতে অজ্ঞান করে দিয়েছেন। দূর থেকেই নানাভাবে পরীক্ষা করার পর স্যার ও আমরা দুজন বাঘটির কাছে গিয়ে উপস্থিত হলাম। টর্চের আলোয় কালো গায়ের রংটা যেন আরো মসৃন লাগছে। হাত দিয়ে দেখলাম বাঘটির চামড়া বেশ শক্ত এবং লোমগুলো খুবই মোটা প্রকৃতির। দশ মিনিটের মধ্যেই বনদফতরের লোক এসে পৌঁছলো। প্রথমটায় ভেবেছিলাম হয়তো গুলির আওয়াজ পেয়ে এসেছেন। কিন্তু পরে জানতে পারলাম স্যার ওক জঙ্গলের মধ্যে প্রবেশের আগেই অনুমতি নিয়ে বাঘটিকে ঘুমের ইনজেকশন দেওয়া গুলি ছোঁড়েন, ফলে বাঘটি এখন ঘুমন্ত।

বনদফতরের গাড়িতে বাড়ি ফিরে আসার পর আর অত রাত্রে খাওয়া দাওয়া না করেই ঘুমিয়ে পড়ি। পরদিন সকালে স্যারের মুখ থেকে শুনলাম বাঘটিকে তারা পর্যবেক্ষণের জন্য উপযুক্ত স্থানে নিয়ে যাবে। যদিও তার উপযুক্ত স্তন জঙ্গল তাই একটা কৃত্রিম জঙ্গলও তৈরি করা হবে এবং সেখানেই তার চলাফেরা রীতিনীতির ওপর লক্ষ্য রাখা হবে। এসব কথাবার্তা শেষে আমরা স্নান খাওয়া সেরে বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লাম।

প্রায় একসপ্তাহ পর একটা মাসিক পত্রিকায় দেখলাম লেখা রয়েছে―” প্রখ্যাত প্রাণীবিদ প্রফেসর ওক এবং তার দুজন সঙ্গী মিলে ওড়িষ্যার একটি জঙ্গলে ‘ব্ল্যাক টাইগার’ এর সন্ধান পান এবং তাকে এখন একটি পরীক্ষাগারে রেখে পর্যবেক্ষণ এর ব্যবস্থা চলছে। ভারতীয় ইতিহাস ‘ব্ল্যাক টাইগার’ নিয়ে এমন গবেষণা এর আগে কখনও হয়নি……….।”

বিঃদ্রঃ “ব্ল্যাক টাইগার” গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় “মিশন জিওগ্রাফি ইন্ডিয়া” ম্যাগাজিনের দ্বিতীয় সংখ্যার “ভূগোলের ডায়রি” বিভাগে (৩১ শে ডিসেম্বর ২০১৭) ।

” রবিবারের ডায়রি” বিভাগে লেখা পাঠানোর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন । আমরা আপনার লেখা আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করে দিবো। ইমেইল করুন mgi.helpline@gmail.com

-মিশন জিওগ্রাফি ইন্ডিয়া ।

এখান থেকে শেয়ার করুন
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7
    Shares

Leave a Reply

Leave a Reply

error: মিশন জিওগ্রাফি ইন্ডিয়া কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত